Est adipisci rutrum minim hat dolorum, nobis nonummy natoque dolores delectus magna turpis.

জিরো রিটার্ন কী ও কীভাবে দাখিল করবেন? অনলাইনে জিরো রিটার্ন জমা দেওয়ার সম্পূর্ণ নিয়ম

বাংলাদেশে অনেকেই টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট নেওয়ার পর জানতে চান, জিরো রিটার্ন কী, কারা জিরো রিটার্ন দিতে পারবেন এবং অনলাইনে কীভাবে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়? বিশেষ করে যাঁদের বর্তমানে কোনো আয় নেই, যাঁরা চাকরি করেন না কিংবা যাঁদের আয় করমুক্ত সীমার নিচে, তাঁদের মধ্যে এ বিষয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

জিরো রিটার্ন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। কারণ, কোনো ব্যক্তির কর পরিশোধের পরিমাণ শূন্য হলেও তাঁর আয়, সম্পদ, ব্যয় ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সঠিকভাবে দেখিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে হতে পারে।

এই ব্লগে জিরো রিটার্নের অর্থ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনলাইনে দাখিলের ধাপ, সম্ভাব্য খরচ এবং গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা সহজ ভাষায় আলোচনা করা হলো।

জিরো রিটার্ন কী?

জিরো রিটার্ন বলতে সাধারণভাবে এমন আয়কর রিটার্নকে বোঝানো হয়, যেখানে হিসাব অনুযায়ী করদাতার প্রদেয় আয়কর শূন্য হয়। অর্থাৎ, হিসাব শেষে তাঁকে কোনো আয়কর পরিশোধ করতে হয় না।

তবে জিরো রিটার্ন নামে আলাদা কোনো রিটার্ন ফরম পূরণ করলেই হবে—বিষয়টি এমন নয়। করদাতাকে প্রযোজ্য আয়কর রিটার্নে নিজের প্রকৃত আয়, সম্পদ, দায়, ব্যয় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়।

উদাহরণস্বরূপ:

  • কোনো ব্যক্তি বর্তমানে বেকার এবং তাঁর কোনো আয় নেই।
  • কোনো ব্যক্তির আয় প্রযোজ্য করমুক্ত সীমার মধ্যে রয়েছে।
  • কোনো ব্যক্তির আয় থাকলেও আইন অনুযায়ী হিসাব করার পর তাঁর প্রদেয় কর শূন্য হয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। কিন্তু সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

জিরো রিটার্ন ও শূন্য আয় কি একই?

না। এই দুটি বিষয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

শূন্য আয়: কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে প্রকৃতপক্ষে কোনো আয় না থাকা।

জিরো ট্যাক্স রিটার্ন: আয় ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসাব করার পর প্রদেয় আয়কর শূন্য হওয়া।

ধরা যাক, একজন চাকরিজীবীর বার্ষিক আয় রয়েছে ৩ লাখ টাকা। তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করমুক্ত সীমা ও অন্যান্য বিধান অনুযায়ী কর হিসাব করার পর প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। কিন্তু তাই বলে তাঁর আয় শূন্য নয়।

আবার, কোনো ব্যক্তির আয় না থাকলেও তাঁর সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, পূর্ববর্তী সঞ্চয় বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকতে পারে। তাই রিটার্নে সব ঘরে শূন্য বসিয়ে দেওয়া সঠিক পদ্ধতি নয়।

কারা জিরো রিটার্ন দিতে পারবেন?

নিচের পরিস্থিতিগুলোতে কোনো ব্যক্তির প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে:

১. যাঁদের কোনো আয় নেই

কোনো ব্যক্তি চাকরি করেন না, ব্যবসা করেন না এবং সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে তাঁর অন্য কোনো আয়ও নেই—এমন পরিস্থিতিতে তাঁর করযোগ্য আয় নাও থাকতে পারে।

তবে তাঁর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক কি না, তা আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।

২. যাঁদের আয় করমুক্ত সীমার নিচে

বার্ষিক আয় প্রযোজ্য করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে হিসাব অনুযায়ী প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। তবে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা অন্য কোনো কারণে তৈরি হতে পারে।

৩. শিক্ষার্থী

শিক্ষার্থীর নিজস্ব আয় না থাকলে তাঁর প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। কিন্তু শুধু শিক্ষার্থী হওয়ার কারণে সবার টিআইএন নেওয়া বা রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক নয়।

৪. গৃহিণী বা গৃহস্বামী

নিজস্ব করযোগ্য আয় না থাকলে প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। তবে তাঁর নামে সম্পদ, বিনিয়োগ বা অন্যান্য আয় থাকলে সেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।

৫. নতুন টিআইএনধারী

কোনো ব্যক্তি ব্যাংকিং, সম্পত্তি, ব্যবসা বা অন্য কোনো প্রয়োজনের জন্য টিআইএন গ্রহণ করে থাকলে তাঁর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আছে কি না যাচাই করা উচিত। টিআইএন নেওয়ার উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান অনুযায়ী পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

মনে রাখবেন: আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তির জন্য আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলেও রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হতে পারে। তাই রিটার্ন দেওয়ার আগে নিজের অবস্থান যাচাই করুন।

জিরো রিটার্ন দিতে কী কী কাগজপত্র লাগবে?

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য সাধারণত নিচের তথ্য ও কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা ভালো।

১. টিআইএন সার্টিফিকেট বা টিআইএন নম্বর।
২. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।
৩. নিজের নামে বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর।
৪. প্রযোজ্য আয়বর্ষের আয়ের বিবরণ।
৫. ব্যাংক হিসাব, সঞ্চয় বা বিনিয়োগের প্রাসঙ্গিক তথ্য।
৬. জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি বা অন্যান্য সম্পদের তথ্য, যদি থাকে।
৭. ঋণ বা অন্যান্য দায়ের তথ্য, যদি থাকে।
৮. জীবনযাপনসংক্রান্ত ব্যয়ের প্রাসঙ্গিক বিবরণ।
৯. উৎসে কর কাটা হলে তার প্রমাণপত্র।
১০. আগের বছরের রিটার্ন বা প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র, যদি থাকে।

সব করদাতার ক্ষেত্রে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। আপনার প্রকৃত আর্থিক অবস্থা ও প্রযোজ্য রিটার্নের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করতে হবে।

অনলাইনে জিরো রিটার্ন দাখিল করার নিয়ম

বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যায়।

সরকারি ওয়েবসাইট: https://etaxnbr.gov.bd

ধাপ ১: ই-রিটার্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

প্রথমে ব্রাউজার থেকে NBR-এর ই-রিটার্ন পোর্টালে প্রবেশ করুন। আপনার টিআইএন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর প্রস্তুত রাখুন।

ধাপ ২: ই-রিটার্নে নিবন্ধন করুন

প্রথমবার ব্যবহার করলে ‘I am not registered yet’ অপশনে ক্লিক করুন।

এরপর:

  • আপনার টিআইএন নম্বর দিন।
  • প্রয়োজনীয় মোবাইল নম্বর লিখুন।
  • ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন।
  • মোবাইলে আসা OTP দিয়ে যাচাই করুন।
  • নির্দেশনা অনুযায়ী পাসওয়ার্ড সেট করুন।

মোবাইল নম্বরটি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হওয়া প্রয়োজন।

ধাপ ৩: লগইন করুন

নিবন্ধন সম্পন্ন হলে টিআইএন এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। প্রোফাইলে থাকা নাম, ঠিকানা, করদাতার ধরন এবং অন্যান্য তথ্য সঠিক আছে কি না যাচাই করুন।

ধাপ ৪: করবর্ষ নির্বাচন করুন

যে করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন।

মনে রাখবেন, করবর্ষ এবং আয়বর্ষ এক নয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫–২০২৬ করবর্ষ সাধারণত ১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত আয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সঠিক করবর্ষ নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধাপ ৫: আয়ের তথ্য পূরণ করুন

আপনার চাকরি, ব্যবসা, পেশা, বাড়িভাড়া, ব্যাংক সুদ বা অন্যান্য উৎস থেকে আয় থাকলে প্রযোজ্য খাতে তা উল্লেখ করুন।

যদি প্রকৃতপক্ষে কোনো আয় না থাকে, তাহলে প্রযোজ্য অংশে সেই তথ্য দিন। কিন্তু আয় থাকলে শুধু কর দিতে হবে না বলে সেটি গোপন করবেন না।

ধাপ ৬: সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিন

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যাংকে জমা টাকা, নগদ অর্থ, জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, বিনিয়োগ, ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য দিতে হবে।

আগের বছরের সম্পদ এখনও আপনার মালিকানায় থাকলে, প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোর তথ্যও বিবেচনায় নিতে হবে।

সব ঘরে শূন্য লিখবেন না। আপনার প্রকৃত আর্থিক অবস্থা অনুযায়ী তথ্য পূরণ করুন।

ধাপ ৭: করের হিসাব যাচাই করুন

সব তথ্য পূরণের পর সিস্টেমে দেখানো আয়, করযোগ্য আয়, কর রেয়াত, উৎসে কর কর্তন এবং মোট প্রদেয় কর যাচাই করুন।

যদি হিসাব অনুযায়ী প্রদেয় কর শূন্য হয়, তাহলে সিস্টেমে প্রদর্শিত ফলাফল ও অন্যান্য তথ্য সঠিক কি না নিশ্চিত করুন।

ধাপ ৮: রিটার্ন জমা দিন

সব তথ্য যাচাই করে সাবমিট বা দাখিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। দাখিল সফল হলে রিটার্ন জমার প্রমাণ বা Acknowledgement Slip ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।

প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নের কপি ও কর সনদও সংরক্ষণ করুন।

জিরো রিটার্ন দাখিল করতে কত টাকা লাগে?

অনলাইনে নিজে ই-রিটার্ন দাখিল করলে সাধারণত আলাদা কোনো রিটার্ন প্রস্তুতকারী বা দাখিল ফি দিতে হয় না।

তবে নিচের বিষয়গুলো আলাদা:

  • নিজে অনলাইনে দাখিল: সাধারণত সরকারি দাখিল ফি নেই।
  • আইনজীবী বা কর পরামর্শকের সহায়তা: তাঁদের নির্ধারিত পেশাগত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
  • প্রকৃতপক্ষে কর প্রদেয় হলে: প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী কর দিতে হবে।
  • দেরিতে দাখিল বা অন্য কোনো অনিয়ম থাকলে: প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ বা জরিমানার প্রশ্ন আসতে পারে।

অতএব, জিরো রিটার্ন মানেই সব পরিস্থিতিতে কোনো অর্থ দিতে হবে না—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

জিরো রিটার্ন না দিলে কী সমস্যা হতে পারে?

আপনার ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হলে সময়মতো রিটার্ন না দেওয়ার ফলে আইন অনুযায়ী জরিমানা, অতিরিক্ত অর্থ বা অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতা হতে পারে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম, ঋণ বা সম্পত্তি-সংক্রান্ত কাজে রিটার্ন জমার প্রমাণ চাওয়া হতে পারে।

তবে শুধু টিআইএন আছে বলেই প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই ফল হবে—এমন নয়। আপনার জন্য রিটার্ন বাধ্যতামূলক কি না, সেটি প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যাচাই করা উচিত।

জিরো রিটার্ন দাখিলের সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

১. সব ঘরে শূন্য বসানো: প্রকৃত আয় বা সম্পদ থাকলে তা গোপন করা উচিত নয়।

২. ভুল করবর্ষ নির্বাচন: আয়বর্ষ ও করবর্ষের পার্থক্য বুঝে সঠিক বছর নির্বাচন করুন।

৩. সম্পদের তথ্য বাদ দেওয়া: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আগের বছরের অবশিষ্ট সম্পদ ও চলতি বছরের আর্থিক তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন।

৪. রিটার্ন জমার প্রমাণ সংরক্ষণ না করা: সাবমিট করার পর Acknowledgement Slip ডাউনলোড করে রাখুন।

৫. রিটার্ন বাধ্যতামূলক কি না যাচাই না করা: আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনগত বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করুন।

৬. অন্যের তথ্য ব্যবহার করা: নিজের টিআইএন, মোবাইল নম্বর ও সঠিক ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: জিরো রিটার্ন কি অনলাইনে দেওয়া যায়?

উত্তর: হ্যাঁ। NBR-এর ই-রিটার্ন পোর্টালে নিবন্ধন করে প্রযোজ্য তথ্য পূরণ ও যাচাইয়ের মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা যায়।

প্রশ্ন ২: আমার কোনো আয় নেই। আমাকে কি রিটার্ন দিতে হবে?

উত্তর: আপনার আয় না থাকলেও নির্দিষ্ট আইনি বিধান বা অন্য কোনো কারণে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত পরিস্থিতি যাচাই করুন।

প্রশ্ন ৩: টিআইএন আছে কিন্তু আয় নেই—কী করব?

উত্তর: প্রথমে আপনার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা যাচাই করুন। বাধ্যতামূলক হলে প্রকৃত আয়, সম্পদ ও অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে দেখিয়ে রিটার্ন দাখিল করুন।

প্রশ্ন ৪: জিরো রিটার্ন জমা দিলে কি টিআইএন বাতিল হয়ে যায়?

উত্তর: না। রিটার্ন দাখিল করলেই টিআইএন বাতিল হয় না। টিআইএন নিবন্ধন বাতিলের জন্য প্রযোজ্য আইনি শর্ত পূরণ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

প্রশ্ন ৫: জিরো রিটার্নের জন্য কি আইনজীবীর সাহায্য নিতে হবে?

উত্তর: সাধারণ পরিস্থিতিতে আপনি নিজেই অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। তবে সম্পদ, ব্যবসায়িক আয়, পূর্ববর্তী করবর্ষ বা আইনি জটিলতা থাকলে যোগ্য কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া উপকারী হতে পারে।

প্রশ্ন ৬: রিটার্ন জমা দেওয়ার পর কী প্রমাণ পাব?

উত্তর: সফলভাবে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করলে Acknowledgement Slip বা রিটার্ন জমার প্রমাণ ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

উপসংহার

জিরো রিটার্ন হলো সাধারণভাবে এমন রিটার্ন, যেখানে হিসাব অনুযায়ী প্রদেয় আয়কর শূন্য হয়। কিন্তু শূন্য কর এবং শূন্য আয় এক বিষয় নয়। তাই নিজের প্রকৃত আয়, সম্পদ, দায় ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করে রিটার্ন দাখিল করা উচিত।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের আগে NBR-এর সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করুন এবং জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।

সরকারি তথ্যের জন্য: https://nbr.gov.bd

অনলাইন রিটার্ন পোর্টাল: https://etaxnbr.gov.bd

আইনি ও করসংক্রান্ত নোট: এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। করদাতার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, প্রযোজ্য করবর্ষ এবং সর্বশেষ আইন ও NBR-এর নির্দেশনা অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা ভিন্ন হতে পারে।

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these